বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চে রোববার সময় আবেদন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসি। পরে আদালত প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই সপ্তাহের সময় দিয়ে এর মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে। পিএইচডি গবেষণা অভিসন্দর্ভে (থিসিস) জালিয়াতি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আলাদা দুটি কমিটি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। কমিটির প্রতিবেদন আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আদালতে জানাতে সময় নিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চে রোববার সময় আবেদন করে দুই প্রতিষ্ঠান। পরে আদালত তাদের দুই সপ্তাহের সময় দিয়ে এর মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। অন্যদিকে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান লিংকন। পরে লিংকন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পিএইচডি গবেষণা জালিয়াতি রোধে পদক্ষেপ নিতে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে আজকে তারা সময় আবেদন করে। আদালত তাদের দুই সপ্তাহের সময় দিয়েছেন। এ সময় আমরা আদালতে বলেছি, এরপর যাতে আর সময় না দেয়া হয়।’ ‘ঢাবি শিক্ষকের পিএইচডি গবেষণার ৯৮% নকল’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে ২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টের আইনজীবী মনিরুজ্জামান লিংকন রিট করেন। আদালত তার রিটের শুনানি নিয়ে একই বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ও সমমানের ডিগ্রি কীভাবে অনুমোদন করা হয়, তা খতিয়ে দেখে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে ইউজিসিকে নির্দেশ দেয়। শিক্ষকের পিএইচডি গবেষণায় নকল যাচাইয়ে তদন্ত করে ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।