যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তুললেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, দেশটি রাশিয়াকে জোর করে ইউক্রেনে যুদ্ধের দিকে টানছে। খবর বিবিসি। ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন হুঁশিয়ারে-মন্তব্যের পর প্রথমবার মুখ খুললেন পুতিন। তিনি বলেন, রাশিয়ার ওপর আরো নিষেধাজ্ঞা আরোপের অজুহাত হিসেবে একটি সংঘাতকে ব্যবহার করা যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য। ইউরোপে ন্যাটো জোটের বাহিনী নিয়ে মস্কোর উদ্বেগকে যুক্তরাষ্ট্র উপেক্ষা করছে। মস্কোতে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট। আলোচনার পর তিনি বলেন, যা দেখা যাচ্ছে, ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এতটা উদ্বিগ্ন নয় বলে আমার ধারণা। দেশটির প্রধান লক্ষ্য রাশিয়ার উন্নয়ন আটকে রাখা। যার জন্য তাদের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে ইউক্রেন। ইউক্রেন সীমান্তের কাছে রাশিয়ার সেনাসমাবেশ ঘিরে কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনা চরমে। গত কয়েক সপ্তাহে রাশিয়া প্রায় এক লাখ সেনা, ট্যাংক ও গোলাবারুদ জমা করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আশঙ্কা করছেন ইউক্রেনে হামলা করার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। তবে ক্রেমলিনের দাবি, দেশটিতে ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন চালানোর কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। ইউরোপে ন্যাটোর সম্প্রসারণ নীতিসহ নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। প্রতিবেশী ইউক্রেনকে এ জোটে অন্তর্ভুক্ত না করার দাবি করেছে মস্কো। কিন্তু এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যেই জো বাইডেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইউক্রেনে হামলা চালালে রাশিয়াকে এর সমুচিত জবাব দেয়া হবে। গত মঙ্গলবার তার সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, রাশিয়া আগ্রাসন চালালে কেবল আমাদের দুই দেশেরই যুদ্ধ হবে তা নয়। এটি হবে ইউরোপে একটি পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধ।