খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, সৌদি আরবসহ চারটি দেশ হুট করেই কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও যোগাযোগের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাতারের ওপর অবরোধ আরোপ করে। এমনকি কাতারকে ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার জন্য সৌদি আরব একটি খাল খননের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিল। তবে আল-উল্লাহ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের এক বছর পর কাতার এবং সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক দ্রুত গতিতে অগ্রসর এবংশক্তিশালী হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে যা জিসিসি সংকটের অবসান ঘটিয়েছে। উভয় দেশের পরিবহন মন্ত্রীরা একটি রেল সংযোগ স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা করতে গত সপ্তাহে দোহায় বৈঠক করেছেন যা দুই দেশ এবং তাদের জনগণকে সংযুক্ত করবে। পরিবহন, বেসামরিক বিমান চলাচল, বন্দর এবং রেলওয়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতার দিকগুলি সম্পর্কে কাতারের পরিবহন মন্ত্রী জসিম আল-সুলাইতি এবং তার সৌদি পরিবহন মন্ত্রী সালেহ বিন নাসের আল-জাসের আলোচনা করেছেন। প্রস্তাবিত রেল সংযোগ প্রকল্পটি ২০১৬ সালে আবার চালু হবে বলে আশা করা হয়েছিল, যা কূটনৈতিক সংকটের কারণে ভেস্তে যায়। গত বৃহস্পতিবার বৈঠকের পাশাপাশি দুই মন্ত্রী অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে দোহা মেট্রো প্রকল্পও পরিদর্শন করেন যেখানে কাতার রেলওয়ে কোম্পানির কর্মকর্তারা প্রকল্পের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তাঁদের ব্রিফ করেন। সৌদি আরব কাতারের পর্যটনের অন্যতম বড় উৎস, যেখানে প্রতি সপ্তাহে হাজার হাজার মানুষ সালওয়া সীমান্ত অতিক্রম করে কাঁটারে আসেন। আবার দোহাতে বসবাসকারী অনেকেই তাঁদের আত্মীয়দের সাথে দেখা করতে কিংবা ওমরাহ বা হজের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গমন করেন।