ভারতের বিতর্কিত প্রধানমন্ত্রী মোদির আগমনের বিপক্ষে চলমান শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে আবরো করা হলো রক্তাক্ত।শনিবার (২৭ মার্চ২০২১) বিকেলে ব্রাক্ষণবাড়িয়া শহরে এবং ঢাকা-সিলেট মহসড়কে হেফাজতের শান্তিপূর্ণ মিছল এবং অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। অতর্কিত সেখানে পুলিশ ও আওয়ামীলীগের মিছল হতে হামলা চালানো হলে ৫ জন হেফাজত কর্মী শহিদ হন। ব্রাক্ষণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রানা নুরুস শামস সাংবাদিকদের জানিয়েছেন এখন পর্যন্ত আমরা ৫ জনকে মৃত ঘোষণা করেছি। নিহত ব্যাক্তিগণঃ ১। জুরু আলম পিতা-আব্দুল লতিফ মিয়া নন্দনপুর হারিয়া গ্রামের ২। বাদল মিয়া পিতা-দাবিড় মিয়া সুনামগঞ্জ, দিরাই ৩। সুজন মিয়া পিতা- জুরু আলীর বারিউড়া, মৈন্দ গ্রাম ৪। মোহাম্মদ কাউসার পিতা- বুধল ইউনিয়ন, বুধল গ্রাম ৫। মোহাম্মদ জোবায়ের পিতা- উপজেলা- সদর, গ্রাম-সরিদপুর, এছাড়া আরো ৫/৬ জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রয়েছে হাসপাতালে। প্রত্যক্ষ দর্শীদের দেয়া বিবরণ হতে জানা যায়, আওয়ামীলীগের ব্যানার ব্যবহার করে কিছু লোক মিছিল সহকারে জামিয়া ইউনুসিয়া মাদ্রাসায় হামলা চালায়। শতে শতে ককটেল ফুটানো হয় আক্রমণের সময়। তখন এলাকার লোকজন মাদ্রাসাকে রক্ষার জন্য মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেন। হাজার হাজার তৌহিদি জনতা মাদ্রাসা রক্ষায় এগিয়ে এলে নামধারী ছাত্রলীগ কর্মীরা তখন পিছু হঠে। রাত ১০টা পর্যন্ত হামলা চালানো হয়। বিজিবি এলে হামলা নিয়ন্ত্রণ হলেও পুলিশ মাদ্রাসাকে এ্যাটাক করে কিছুক্ষণ পর পর হামলা চালানো হয়। পুলিশ ৪০ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। ১৫ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ বলে- ঘটনা নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং আত্নরক্ষার জন্য তারা বল প্রয়োগ করেছে। নিরস্ত্র ছাত্রদেরকে দোষারোপ করে আওয়ামীলীগের সভাপতি ও এমপি উবাইদুল মোকতাদির চৌধুরী।