রমজানের আগে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার বিষয়ে ভোক্তাদের আশঙ্কা যে অমূলক নয়, তা বোঝা গেল বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে। এরই মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে ডাল-চিনি, আটাসহ বেশকিছু নিত্যপণ্যের দাম। সরকারের হস্তক্ষেপের পরও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে ভোজ্যতেলের বাজার। বাজারে যখন নাভিশ্বাস, তখন টিসিবির পণ্য কিনতে ভর দুপুরেও ক্রেতাদের দীর্ঘলাইন দেখা গেল রাস্তার পাশে। তাদের চাওয়া- বাজারে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি হোক, আর দেশব্যাপী বাড়ুক টিসিবির বিক্রি কার্যক্রম। রমজান উপলক্ষে গত ১৮ মার্চ থেকেই ৫০ টাকা কেজি দরে চিনি, ৫৫ টাকায় মসুর ডাল, ৯০ টাকা লিটারে সয়াবিন তেল ও ১৫ টাকা কেজি দরে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছে সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবি। এর দুদিন পরই ট্রাকপ্রতি বরাদ্দ বাড়িয়ে করা হয়েছে দ্বিগুণ। আগামী মাসের শুরুতে যোগ হবে খেজুর ও ছোলা। তখন ঢাকাসহ সারাদেশে ট্রাকের সংখ্যা ৪০০ থেকে বাড়িয়ে করা হবে ৫০০। পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে জানিয়ে টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ূন কবীর জানান, আমাদের ট্রাকসেল শুরু হয়েছে। ডিলারদের কাছে পর্যাপ্ত ডাল, ছোলা, তেল পাওয়া যাবে। ভোক্তাদের উদ্বেগের কিছু নেই। এবার আগেভাগে নেওয়া টিসিবির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংগঠন- ক্যাব। অতি মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে টিসিবিকে আরও শক্তিশালী করার তাগিদ সংগঠনটির। এতে সুযোগ-সন্ধানী ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবে না বলেই মনে করেন ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির ভূইয়া। ভোক্তা স্বার্থে টিসিবির এই কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশব্যাপী বাজার তদারকিও শক্তিশালী করার দাবি ভোক্তাদের। সূত্রঃ সময় টিভি