রোঙ্গিাদের জন্য ব্রাক বিদেশি অর্থায়নে নির্মাণ করল আরো একটি কমিউনিটি সেন্টান। রোহিঙ্গারা নিজেরাই নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং নিজরাই সামাজিক সমস্যাগুলো সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করেন, সে লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এদেরকে নিজস্ব সংস্কৃতির বলয় থেকে বের করে আনার টার্গেট নিয়ে যে ব্রাকের মত এনজিওগুলো বিদেশি ফান্ডের মাধ্যমে কাজ করে, সে প্রমাণ তাদের কাজের মধ্যেই রয়েছে। ধর্মপ্রাণ রোহিঙ্গাদের মধ্য থেকে নেতা সৃষ্টি করে তাদেরকে নানা প্রলোভনের মাধ্যমে বিদেশিরা ভাগে নেয়। সরকারের মনিটরিং না থাকায় এবং বিদেশি দাতা সংস্থাগুলো ছত্রছায়ায় এরা রোহিঙ্গাদেরমত দরিদ্র মুসলিমদের নিয়ে কাজ করে। সরকারের বিভিন্ন মহলও তাদেরকে সহযোগিতা দিয়ে যায়। ইউনাইটেড নেশনস হাইকমিশন ফর রিফিউজির (ইউএনএইচসিআর) সহযোগিতায় ব্র্যাক এই কেন্দ্র নির্মাণ ও যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউএনএইচসিআরের কমিউনিটি বেইজড ইউনিটের প্রটেকশন কর্মকর্তা তাকাশি মরি, ব্র্যাকের হিউম্যানিট্যারিয়ান ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামের (এইচসিএমপি) কর্মসূচি প্রধান রবার্ট শিলা মুথিনি, সংস্থাটির সিবিপি’র টিম লিড শারমিন আকতার, একই সংস্থার সিবিপি’র ডেপুটি প্রকল্প ম্যানেজার বোরহান মাহামুদ, ইমরান আজাদ ও তাহমিনা সুলতানা প্রমুখ। কমিউনিটি সেন্টার, তথ্য সেবা, কমিউনিটি গ্রুপ এবং কমিউনিটি আউটরিচ মেম্বার— এই চারটি ভিত্তিতে এই সেন্টারের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ২০১৭ সালে থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত টেকনাফ ও উখিয়ায় এ নিয়ে মোট ১১টি কমিউনিটিভিত্তিক সুরক্ষা সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। রেডিওতে বার্তার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরি, অডিও ভিজুয়াল ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৫৩ হাজার ৪৯৮ জনকে এই সেবা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৪৫ হাজার ১৩৩ জনকে তথ্য সেবা দেয়া হয়েছে। এছাড়া ১ হাজার ৫০০ স্বেচ্ছাসেবী কর্মী কমিউনিটির জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এভাবে ধর্মপ্রাণ অসহায় রোহিঙ্গারা নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য হতে দূরে সরে যাবে। জীবনমান উন্নয়নের নামে তাদেরকে নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার পথে প্রতিবন্ধকাতা সৃষ্টি করা হবে। মানসিকভাবে তাদের বিগড়ে দেয়া হবে যাতে তারা তাদের মাতৃভূমি রাখাইনে ফিরে যাওয়ার কোন আন্দোলন বা সংগ্রামের দিকে এগিয়ে যেতে না পারে।