মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে (ইউএনএইচআরসি) গৃহীত প্রস্তাবে সম্পৃক্ত হয়নি চীন ও রাশিয়া। শুক্রবার যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুরোধে জেনেভোয় অনুষ্ঠিত এক বিশেষ অধিবেশেন প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। এতে গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর আটক হওয়া দেশটির নেত্রী অং সান সু চি এবং অন্যান্য বেসামরিক নেতাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে মিয়ানমারের সামরিক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। চীন ও রাশিয়াসহ এই প্রস্তাব থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়া দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতেরা জানিয়েছেন, এই প্রস্তাবের সঙ্গে তারা যুক্ত হবেন না। এদিকে, মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত প্রস্তাবটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার এর আগে, মিয়ানমারে সরকারি কর্মকর্তা এবং মানবাধিকার নেতাদের নির্বিচারে আটকের নিন্দা জানান জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি টমাস অ্যান্ড্রুজ। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে প্রমাণিত হলো যে, মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দৃঢ়ভাবে কথা বলবে। তিনি বলেন, ক্রমাগত যেসব তথ্য ও সচিত্র প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে তাতে এটা সুস্পষ্ট যে মিয়ানমারে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে। ইউএনএইচআরসি প্রস্তাবে সহিংসতা থেকে বিরত থাকা এবং মানবাধিকার, মৌলিক স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনকে পুরোপুরি সম্মান করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রধান অং সান সু চি, দেশটির প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে জরুরি অবস্থা জারি করে দেশটির সেনাবাহিনী।