হিজাব দিবস উপলক্ষে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা রাজু ভাস্কর্য, টিএসসি ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাদদেশসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাত দফা দাবী সম্বলিত ফেস্টুন প্রদর্শন করা হয়। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিনা উস্কানিতে চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করতে থাকে এবং জহুরুল হক হলের পরিচয়ে এক ছাত্রলীগ নেতা এসে রাজু ভাস্কর্যের ফেস্টুন ভাংচুর করে। সে সময়ে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত ইশার নেতৃবৃন্দ প্রতিবাদ করলে ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মী অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ এবং ইশার ঢাবি শাখার সভাপতিসহ নেতৃবৃন্দের ওপর হামলা চালায়। এতে ঢাবি শাখার সভাপতি মাহমুদুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল আহসান মারজান ও সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক আবু বকর গুরুতর আহত হন। এই হামলার প্রতিবাদে সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় ইশা ছাত্র আন্দোলন, ঢাবি শাখা এক প্রতিবাদ মিছিল বের করে। মিছিলটি রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ চত্ত্বরে এসে সমাপ্ত হয়। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাবি শিক্ষার্থী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ বলেন, মুক্ত চিন্তার উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আজকের হিজাব দিবসের কর্মসূচিটি কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না; বরং হিজাব পরিধানে নারীদের অধিকার আদায়ে, ফ্রিডম অফ কস্টিউম বাস্তবায়নে একটি অহিংস সাংস্কৃতিক কর্মসূচি। হিজাব দিবস পালন নিয়ে ছাত্রলীগের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ইসলাম ও বাঙালী চিন্তার পরিপন্থী। এমন অহিংস কর্মসূচিতে বিনা উস্কানিতে ছাত্রলীগের নগ্ন হামলা এদেশের মানুষের ঈমানী চেতনায় তীব্র আঘাত করেছে। আমরা এমন সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।