বেশির ভাগ রোহিঙ্গাদের দেশ ছাড়া করা হয়েছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদন করা হয়েছে গায়েব। শুধু মুসলমান বলেই বিশ্ব নেতৃত্ব কৌশলের আশ্রয় নিয়ে বিতাড়নে এক প্রকার মৌণ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। কার্যকরী কোন পন্থাতেই তারা নারাজ। দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে চাপিয়েছে নানা রকম লোভ আর কূট চালের মাধ্যমে। তাদের নিজ দেশে ফেরানোর পরিবর্তে বাংলাদেশে তাদের অধিকার নিশ্চিতে বিশ্ব মোড়লরা বেশি সোচ্চার! বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ আবারো বিবৃতি দিল। আশঙ্কা, নিশ্চিত করতে হবে, অনিশ্চিত, লঙ্ঘন, অধিকার এরকম শব্দ দিয়ে সময়কে অতিবাহিত করাই যেন তাদের উদ্দিশ্য। ফিলিস্তিন, কাশ্মীর, রোহিঙ্গা আর পূর্ব তিমুর যেন দুই পৃথিবীর দুই সিদ্ধান্ত! তাই জাতিসংঘ বিবৃতি দিয়ে যায়। মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থানে দেশটিতে বসবাসরত ছয় লাখ রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। এঘটনাকে গণতান্ত্রিক সংস্কারের পক্ষে বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। অং সান সু চিসহ বেআইনিভাবে আটক অন্তত ৪৫ নেতাকর্মীর মুক্তির দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘ। এ বিষয়ে আজ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি অধিবেশন বসার কথা রয়েছে। এদিকে, দেশটির ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, জোর প্রয়োগ করে জনগণের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করা কখনোই উচিত নয়। এর আগে গত দশকে মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরুর পর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার সেনা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। ২৪ জন মন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে সরানো হয় তাদের পদ থেকে। এ পর্যন্ত অর্থ, স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ ১১টি পদে সেনা সদস্যদের নিযুক্ত করেছেন সেনা প্রধান মিন অং লাইং।